মিনি কৌতুক

মিনি কৌতুক
                                                                                                                                                               
কৌতুক 63
ফেসবুকোলজী নামে কোন সাবজেক্ট থাকলে তার লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন হত এরকম.. .

*স্ট্যাটাস কি? উদাহরণ দাও। এটা সর্বোচ্চ কত ডিজিটের মধ্যে দেয়া যায়? কোন নির্দিষ্ট ফ্রেন্ড থেকে নিজের স্ট্যাটাস হাইড করবে কীভাবে?

*ফ্রেন্ড কাকে বলে? কীভাবে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাতে হয়? কীভাবে কাউকে ব্লক করতে হয়?

*ফেসবুকে সর্বোচ্চ কত সাইজের ছবি আপলোড করা যায়? কীভাবে ফটো এলবাম বানাতে হয়? কীভাবে ফ্রেন্ডদের থেকে এলবাম হাইড করতে হয়?

*চ্যাট কাকে বলে?

*পূর্ণ রূপ লিখঃ c8,cu, lol, tnx, wb, gf, 143, brb,f 9, g8.

*কীভাবে ব্রাউজার কে ভিডিও চ্যাটের উপযোগী করা যায়?

*PP কি? এটা কীভাবে পরিবর্তন করা যায়

*কীভাবে কোন ফ্রেন্ড কে স্ট্যাটাস/ কমেন্ট এ মেনশন করা যায়।

*ট্যাগ কি? কীভাবে ফ্রেন্ড কে ফটো ট্যাগ করতে হয়? কীভাবে ট্যাগ রিমুভ করতে হয়?

*কীভাবে ফেসবুক পেজ বানাতে হয়? ফেসবুক পেজ এর লাইক সংখ্যা বাড়াতে তুমি কি কি পদক্ষেপ নিবে?

*কীভাবে নেটওয়ার্ক এ যুক্ত হওয়া যায়? ৩ টি ফেসবুক গেম এর নাম লিখ।

*ফেসবুকের জনক কে? ম্যাসেজ কীভাবে পাঠাতে হয়? ম্যাসেজ এ কীভাবে ছবি যুক্ত করতে হয়?

*কীভাবে ফেসবুকে ইমেইল ও মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ করতে হয়? কীভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিএকটিভেট করতে হয়? 😛

এই ধরনের পরীক্ষা যদি চেয়ে থাকেন কিংবা প্রস্তাবিত প্রশ্নপত্রটি যদি পছন্দকরে থাকেন তবে লাইক বাটনে ক্লিক করে আন্দোলনে যুক্ত হন 🙂 COPY

                                                                                                                                                             
কৌতুক 62
আধুনিক বাঙালী নারীর কিছু বৈশিষ্ট্য :

১) তাহারা মুখমন্ডল লইয়া এতই চিন্তিত যে শরীরের যত্ন নেবার কথা তাহাদের মনেই আসে না।
২)তাহাদের মাঝে যাহারা এমেচার সাহিত্যিক তাহাদের লেখার মূল বিষয়বস্তু হইল ‘ধোঁকাবাজ পুরুষ সমাজ’। লেখার ধরন সাধারনত এই রকম ‘ প্রচন্ড কষ্টে আদ্রিতার বুক ফেঁটে যাচ্ছে। কুদ্দস তাঁর সাথে এমন করবে সে ভাবতেই পারেনি। ইচ্ছে করছে ব্ল্যাক সি’র সমস্ত পানি এক সাথে পানকরে ফেলতে। সূর্যের সকল উষ্ণতা যেন আজ তাঁর হ্রদয়কে গ্রাস করে ফেলেছে।তাঁর হৃদয়ে তৈরী হয়েছে কালো কাকেরচেয়েও কালো এক বিশাল গহ্ববর। সেই গহ্ববরে বাস করছে অজস্র কালো সাঁপ যাকিনা এতদিন……
তাহার লেখায় অধিকাংশ পুরুষই মন্তব্য করিবে – তোমার লেখাটা মন ছুঁয়ে গেল আপুনি, আসলে আমাদের সমাজে……
৩) কোচিং সেন্টারে চলে তাহাদের হাসির প্রতিযোগিতা। শুনিলে মনে হয় পরিক্ষায় থিওরী ৭৫%, প্র্যাকটিকাল১৫% এবং হাসি ১০% নম্বর নির্ধারন করা আছে। কখনোও কখনোও মনে হয় তাহারাভাবিতেছে যে হাসির শব্দ দিয়া তাহারারুপের সকল ত্রুটি ঢাকিয়া ফেলিতে পারিবে বলিয়া মনে করিতেছে।
৪) বাহিরে তাহারা ইভটিজার পাইলে চিৎকার চেচামেচী শুরু করিয়া দিবে, অথচ লুইচ্চা টিচার এর বিরুদ্ধে তাহারা কোন কথাই বলিবে না। বরং সেই টিচার এর সাথে খাতির করিতে তাহারা ব্যস্ত হইয়া উঠিবে।
৫) এক কেজি ওজন কমাইতে পারিলে তাহারাখুশিতে আত্মহারা হইবে এবং সকলকে তাহাবলিয়া বেড়াইবে।
৬) তাহারা ম্যাচিউর ছেলের সন্ধানে এতই ব্যাস্ত এবং নিজের ম্যাচিউরিটি লইয়া এতই আত্মবিশ্বাসী যে কখনোকখনো তাহারা অতিরিক্ত ম্যাচিউরছেলের খপ্পরে পরিয়া নিজের সর্বস্ব খুইয়া বসে। তবে সে কথা অবশ্য কোনদিন কেহ জানিতে পারেনা। এমনকি তাহাদের স্বামীও না।
৭) যদি কখন কোনদিন কাহারো চুল কোমর ছুঁইতে পারে ( হোক না সে কাকের বাসা) তাহলে ত আর কথাই নাই। চুলের গর্বে আত্মহারা হইয়া বাকি সব ত্রুটি ভুলিয়া যাইবে। রূপ সংক্রান্ত যেকোন আলোচনায় তখন প্রসংগ টানিয়া নিজের চুলের কথা বলিবার চেষ্টা করিবে। তাহাদের সেই খুশী দেখিলে মনেহইবে সেলুনে চুল বিক্রী করিয়া ভাত খাইতে পারিবে।
৮)কখনোই ইন্টারনেট পুরোপুরি ব্যাবহার করিতে শিখিতে চাইবে না। সর্বদা ছেলে বন্ধুর সাহায্য নিবে। অথবা হাতের কাছের মনুষ্য সমাজকে বিরক্ত করিবে।
৯)কিছু কিনিতে গেলে দশ টাকা হইলেও দরাদরি করিবার চেষ্টা করিবে। দশ টাকানা কমাইলে প্রয়োজনে অতীব দূর্লভ জিনিসটিও হাত ছাড়া করিতে তাহাদের বাঁধে না।
১০) তাহাদের মাঝে কেহ কেহ আছে যাহারামেক আপ দিয়া গাল লাল করিয়া বলিবে ‘ আমার গাল এমনিতেই লাল, আগে ত আরো লাল ছিল, এখন রোদে পুরে লাল একটু কমে গেছে’
১১) তাহাদের সকলেরই ছোটবেলায় এয়ারহোস্ট্রেস হইবার শখ আছিল।
১২) বড় হইবার পর অনেকেরই সংবাদ পাঠিকা হইবার শখ জাগে, কিন্তু অশুদ্ধ উচ্চারনের জন্য কোর্স করিতে সাহস পায় না, তাই কর্মব্যাস্ততার উপর দোষ চাপাইয়া বলে ‘ ইচ্ছে ছিল খবর পড়ার কোর্স করব, কিন্তু একদম সময় নাই’
১৩) পোষ্টের সকল পয়েন্ট খুঁটাইয়া কোন একটা পয়েন্টের ভিত্তিতে সকল বৈশিষ্টের জন্য পুরুষ সমাজকেই দায়ী করিবে এবং ফিচার টির লেখকের গুস্টি উদ্ধার করার চেষ্টা করবে।
১৪) বাজারে চকবার জাতীয় কলাকৃতির নতুন কোন আইসক্রিম আসিলে তাহাদের সেইআইসক্রীমের প্রতি বিশেষ উৎসাহী হইতে দেখা যায়।
১৫) তাহাদের অনেকেই মনে করেন যে ‘এক্সকিউজমি’ সঠিক উচ্চারন নয়, তাই তাহারা ইহাকে সঠিকরুপে উচ্চারন করিতে গিয়া ‘স্কিউজমি’ বলিয়া ভুল উচ্চারন করেন।
১৬) দুইদিন বিকাল বেলা কচ্ছপের ন্যায় ধীর গতিতে হাঁটিবার পর ওজন নাকমিলে তাহারা ওজন কমানোর পরিকল্পনা বন্ধ করিয়া দেয়।
১৭) ফাস্টফুডের দোকানে ছেলে বন্ধুর সামনে মুখ বন্ধ করিয়া খাইবে এবং ছেলে বন্ধুটির চাবানোর শব্দ শুনিয়া বিরক্তি প্রকাশ করিবে। তবে তাহাদের খাবার আসল রুপ ইফতারীর সময়টের পাওয়া যাইবে।

                                                                                                                                                             
কৌতুক 61

বাবা: তুমি কাকে বেশী ভালবাসো ? আমাকে নাকি তোমার মা কে?
ছেলে: আব্বু , তোমাদের দুজনকেই আমি অনেক বেশী ভালোবাসি ।
বাবা: যদি আমি আমেরিকা আর তোমার মা প্যারিস যেতে চায়, তুমি কোথায় যাবে ?
ছেলে: অবশ্যই প্যারিস , কারন জায়গাটা খুব সুন্দর!

বাবা: আচ্ছা, যদি আমি প্যারিস আর আম্মু আমেরিকা যায় , তখন কোথায় যাবে?
ছেলে: আমেরিকা !
বাবা: তারমানে তুমি মা কে ছেড়ে থাকতে পারবে না, তাইতো?
ছেলে: তা নয় । কারন একটু আগেই তো আমি প্যারিস গেলাম!

** ছেলেটার মতো আমরাও এই ধরনের তুলনার ব্যাপারে সবসময় কৌশলী! কারন মা বাবার ভালবাসার তুলনা চলেনা! **

                                                                                                                                                         
কৌতুক 60
দুই পিচ্চি খেলছে। স্বভাবতই দুইটারই প্যান্ট নাই। হঠাৎ মেয়ে পিচ্চিটা ছেলে পিচ্চিটার ওইটা ধরে টানতে লাগলো।তখন ছেলে পিচ্চিটা মন খারাপ করে বললঃ টানো আরো বেশি করে টানো, নিজেরটা তো ছিড়ছো, এখন আসছো আমারটা ছিড়তে।
                                                                                                                                                           
কৌতুক 59
গৃহকর্ত্রী তার চারকরের সাথে বাতচিত করছেন…
গৃহকর্ত্রীঃদেখ গেদুর মা, তোমার নাম বড্ড গেয়ো।তাই আমি ঠিক করেছি বাড়িতে মেহমান আসলে তোমাকে এবার থেকে সেতারা বলে ডাকবো।
গেদুর মাঃআচ্ছা খালাম্মা, কিন্তু তখন আপনাকে কি বলে ডাকবো??
গৃহকর্ত্রীঃ আমাকে? আমাকে আবার কি বলে ডাকবে, হতভাগী?
গেদুর মাঃহতভাগী?! আচ্ছা খালাম্মা তাই বলেই ডাকবো।
.
.
কি মামারা বুজতে পাইচ্ছেন নি কিছু?
না অহনও ঝিমাইতাছেন?
                                                                                                                                                                 
কৌতুক 58
— অনেক পুরনো আমার একটি প্রিয় জোকস–

ছেলে বাবাকে জিজ্ঞেস করল, ‘বাবা, রাজনীতি কী?’
বাবা বললেন, ‘ধরো, আমি আয় করি। আমি হলাম পুঁজিবাদ। তোমার মা সংসারটা চালান। তিনি আয় করেন না বটে, তবে তোমাদের ভালোমন্দ দেখার দায়িত্ব তো তাঁরই। তিনি হলেন সরকার। আর তুমি হলে এই দেশের জনগণ। আর তোমার ছোট ভাইটা হলো এই দেশের ভবিষ্যৎ। আর ওই যে জরিনা, কাজের মেয়ে, ও হলো শ্রমজীবী মানুষ।’

একদিন ছেলে দেখল, ছোটভাই তার প্যান্ট ভিজিয়েছে। মেঝে ভেসে যাচ্ছে। সে মাকে ডাকতে গেল। মা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। আর বাবা ভীষণ রেগে গেছেন। কাজের মেয়ে চায়ের কাপ ভেঙেছে বলে তিনি তাকে কান ধরে ওঠ-বস করাচ্ছেন।

ছেলে তখন বলল, পুঁজিবাদ শ্রমজীবীকে নিষ্ঠুর নির্যাতন করছে। দেশের ভবিষ্যৎ ভেসে যাচ্ছে। সরকার গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। আর জনগণ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে।

                                                                                                                                                                    
কৌতুক 57
এক গ্রামে এক কৃষক তরমুজের চাষ করতো।কিন্তু প্রতি রাত্রেই গ্রামের পোলাপান ক্ষেতের তরমুজ খেয়ে যেত।এর থেকে বাঁচার জন্য কৃষক ক্ষেতের সামনে একটা নোটিশ টানালো,”সাবধান!এর যেকোন একটি তরমুজের ভিতরে সায়ানাইড আছে”
এরপর প্রায় এক সপ্তাহ পোলাপান উত্পাত করলো না।এক সপ্তাহ পর একদিন সকালে কৃষক ক্ষেতে গিয়ে দেখলো আগের নোটিশের পাশে নতুন একটা নোটিশে লেখা,”কাকা।আগে একটায় সায়ানাইড ছিল।এখন দুইটায়” :পি
                                                                                                                                                            
মিনি কৌতুক 56
পল্টু আর বল্টু, দুই আধুনিক চাষী, গরু চাষ করে তারা।
পল্টু একদিন এসে বল্টুকে বলছে, ‘দোস্ত, তোর একটা গরুর খুব জ্বর হয়েছিলো গতমাসে, কী করেছিলি বল তো?’
বল্টু বললো, ‘তারপিন খাইয়েছিলাম।’
পল্টু ধন্যবাদ জানিয়ে চলেগেলো।
হপ্তাখানেক বাদে আবার দুজনের দেখা। পল্টু মুখ কালো। সে গম্ভীর গলায় বললো, ‘ইয়ে দোস্ত, তোমার একটা গরুর খুব জ্বর হয়েছিলো গতমাসে, কী যেন খাইয়েছিলে?’
‘তারপিন।’ বললো বল্টু।
পল্টু রাগে ফেটে পড়লো, ‘আমি আমার গরুটাকে তারপিন খাওয়ানোর পর সেটা মরেই গেছে!’
বল্টু চমকে উঠলো, ‘আরে, কী আশ্চর্য! আমারটাও তো মরে গিয়েছিলো!
                                                                                                                                                                 
মিনি কৌতুক 55
দশ সেকেন্ডের মধ্যে GIRL
খুঁজে পেলে লাইকান।
যারা এই সময়ের মধ্যে খুজেঁ পাবে, বুঝা যাবে তাদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল।
.
বাস্তবিক জীবনে তাদের ইঁয়ে খুজেঁ পেতেও দেরি হবে না।
.
B0Y B0Y B0Y B0Y
B0Y B0Y B0Y B0Y
B0Y B0Y B0Y B0Y
B0Y B0Y B0Y B0Y
B0Y B0Y GIRL B0Y
B0Y B0Y B0Y B0Y
B0Y B0Y B0Y B0Y
.
আমার তো মনে হয় পোলাদের মধ্যে যে গুলা মিথ্যুক হেইগুলাই খালি এই সময়ের মধ্যে খুজেঁ পাবে না।
                                                                                                                                                            
মিনি কৌতুক 54
¤ মজার কথা কইলে মাইনষে কয়>>> ফাজিল
¤ সিরিয়াস কথা কইলে মাইনষে কয়>>> আঁতেল
¤ উচিত কথা কইলে মাইনষে কয়>>> বেয়াদপ
¤খারাপ কথা কইলে মাইনষে কয়>>> ইঁচড়ে পাকা
¤ তর্ক করলে মাইনষে কয়>>> বেশি বুঝি
¤ বেশি কথা কইলে মাইনষে কয়>>> বাচাল
¤ কথা থামাইয়া দিছি>>> এখন কয় ভাব মারি
                                                                                                                                                                    
মিনি কৌতুক 53
শিক্ষকঃ কোন পাখি সবচেয়ে দ্রুত উড়তে পারে???
ছাত্রঃ “হাতি”
শিক্ষকঃ অপদার্থ; তোর বাপ কি করে রে ??
ছাত্রঃ ট্যারা-মকলেস gang-এর shooter
শিক্ষকঃ সাবাশ ব্যাটা !!! সঠিক উত্তর হল “হাতি”
                                                                                                                                                                  
মিনি কৌতুক 52
৩ জন তরুণী এক ছেলেকে প্রপোজ করলো-

তাকে এর মধ্যে থেকে একজন কে বেছে নিতে হবে…
সে তাদের কে ২০০০০ টাকা খরচ করতে দিয়ে পরীক্ষা করলো

প্রথম মেয়ে পারসোনাতে স্পা করাতে চলে গেল!! এরপর সেখানে চুল ভ্রু মেকাপ করে আসলো যাতে ছেলেটিকে ইমপ্রেস করতে পারে!!!

২য় মেয়ে কিছু দামি সার্ট টাই আর পারফিউম কিনে ছেলেকে দিয়ে বলল আমি চাই তোমাকে সুন্দর লাগুক!!

আর

৩য় জন সেই টাকা শেয়ার বাজারে সালমান এফ রহমানের পরামর্শ নিয়ে বিনিয়োগ করলো আর প্রচুর পরিমানে লাভ নিয়ে ছেলেকে তার ২০০০০ টাকা ফেরত দিয়ে বলল এই বাকি লাভের সব টাকা আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য!!!

শেষ পর্যন্ত ছেলে কাকে বাছাই করলো বলেন তো??….

.
.
.
.
.
.

.
.
.
.

.

সবচে সুন্দর টা রে 😛 😛
মরালঃ ছেলেরা কখনো চেঞ্জ হয় না!!! 😛 😛

                                                                                                                                                                   
মিনি কৌতুক 51
এক ভদ্রলোক প্রচণ্ড ক্ষুদা নিয়ে হোটেলে খেতে বসেছেন…
মাছটা মুখে দেওয়ায় সাথে সাথে…
ভদ্রলোকঃ বেয়ারা এত পচা মাছ খাওয়া যায়?… ডাক তোর ম্যানেজারকে। ঐ শালাকে বুঝামু আজকে।
বেয়ারাঃ স্যার ম্যানেজার তো পাশের হোটেলে খাইতে গেছে…… :পি
                                                                                                                                                                 
কৌতুক 50
শিক্ষকঃ কোন পাখি সবচেয়ে দ্রুত উড়তে পারে ???
ছাত্রঃ “হাতি”
শিক্ষকঃ অপদার্থ; তোর বাপ কি করে রে ??
ছাত্রঃ ট্যারা-মকলেস gang-এর shooter
শিক্ষকঃ সাবাশ ব্যাটা !!! সঠিক উত্তর হল “হাতি”
                                                                                                                                                               
কৌতুক 49
প্রেমিক প্রেমিকা কে বলছেঃ ” জান আমি তোমার হাতটা একটু ধরতে পারি??”
প্রেমিকাঃনা!!!
প্রেমিকঃকেন??!!!
প্রেমিকাঃ ” কারন তুমি যখন পরে আমার হাত ছেড়ে দাও আমি সহ্য করতে পারিনা 😦
.
… .
.
ছেলেঃ….. আমি তো অ্যাকটিং করতাছিলাম, হেয় তো দেখি ওভারঅ্যাকটিং শুরু করছে
                                                                                                                                                                   
কৌতুক 48
১.দুশ্চিন্তা কখনোই আগামী দিনের সমস্যা দুর করতে পরে না বরং এটা আজকের (today’s) শান্তি দুর করে দেয় ।‘
২.প্রার্থনা গাড়ির স্পেয়ার চাকার মতো নয় যা বিপদ থেকে উদ্ধারে সাহায্য করবে বরং স্টিয়ারিং এর মতো যা আপনার জীবনকে সঠিক দিকে পরিচালিত করবে!!
৩.বন্ধুত্ব বইয়ের মত । এটা পুড়াতে কয়েক সেকেণ্ড সময় লাগে কিন্তু লিখতে অনেক বছর লাগে ।
৪.জীবনে সবকিছু ক্ষণস্থয়ী ।যদি ভাল কিছু পান তবে তা উপভোগ করুন . কারন তা বেশি দিন …থাকবে না । আর যদি দুঃখ কষ্ট থাকে তবে হতাশ হবেন না । কেননা এগুলোও বেশি দিন থাকবেনা ।
৫.আমাদের পুরানো বন্ধু সোনার মত! নতুন বন্ধু হয় হীরে! যদি আপনি একটি হীরা পান , সোনাকে ভুলবেন না! কারণ একটি হীরাকে ধরে রাখার জণ্য সোনার ভিত্তি প্রয়োজন ।
৬.প্রায় যখন আমরা আশা হারিয়ে ফেলি এবং মনে হয় সব শেষ, তখন সৃষ্টিকর্তা উপরে থেকে হাসেন এবং বলেন, “এটা শুধু পরীক্ষা , শেষ নয় ।
৭. এক অন্ধ বলল. চোখে না দেখার চেয়ে কি দুর্ভাগ্যজনক কিছু আছে ?
একজন উত্তর দিলো: হা, দৃষ্টিভঙ্গি হারানো
৮.আপনি যখন কারো জন্য প্রার্থনা করেন তখন সৃষ্টিকর্তা আপনার কথাশুনে তাদের মঙ্গল করেন । আর যখন আপনি নিরাপদ, সুখী থাকেন তখন মনে রাখবেন অন্য কেউ আপনার জন্য পার্থনা করেছে
                                                                                                                                                               
কৌতুক 47
ভাইভাতে একটা পরিচিত ঘটনা…..
এক্সটারনালঃকি কি পড়ে আসছ??
ছাত্রঃস্যার সব চ্যাপ্টার ই একটু একটু কইরা পইড়া আসছি!!
এক্সটারনালঃ তাইলে “এইটা” বল….
ছাত্রঃস্যার খালি এইটাই পড়িনাই!!! 😦
… এক্সটারনালঃতাইলে ” এইটা” বল
ছাত্রঃস্যার এইটা পড়ছিলাম কিন্তু ঠিকমত বুঝিনাই!!!! 😦
এক্সটারনালঃহম তাহলে “এটা” বল
ছাত্রঃস্যার!! এইটা এইটা….. এইটা…. ভুইলা গেচি স্যার 😥
স্যারঃগেট আউট!!!!…. পরের জনরে আসতে বল!! :@ :@
                                                                                                                                                                 
কৌতুক 46
এক মেয়ে ৩ মাস সময় নেয় সে একটা ছেলেকে ভালোবাসে কিনা বোঝার জন্য
কিন্তু ছেলে নেয় ৩ সেকেন্ড ..
১ম সেকেন্ডঃদোস্ত কি আইটেম!!!
… ২ য় সেকেন্ডঃ আহ কত মধুর কণ্ঠ
৩য় সেকেন্ডঃকসম দোস্ত আমি প্রেমে পইড়া গেছি!!!! ওরে ছাড়া বাচুম না 😀
কারা একমত??
                                                                                                                                                                    
কৌতুক 45
পারফেক্ট দোস্ত!!!!…
“দোস্ত ভুলে ঘরে মানিব্যাগ ফালাইয়া আসছি , ১০০০ টাকা খুব দরকার!!!”



… … ।

।।

দোস্তঃ এই ল ২০ টাকা ঘর থাইকা মানিব্যাগ লইয়া আয় :x) 😛 😀 \m
                                                                                                                                                              
কৌতুক 44
আপনি কোন ভাষায় আপনার প্রিয় মানুষকে ভালবাসার কথা বলতে চান?
বাংলাঃআমি তোমাকে ভালবাসি।
English – I love you

Afrikaans – Ek het jou lief

Albanian – Te dua

Arabic – Ana behibak (to male)

Arabic – Ana behibek (to female)

Armenian – Yes kez sirumen

Bambara – M’bi fe

Belarusian – Ya tabe kahayu

Bisaya – Nahigugma ako kanimo

Bulgarian – Obicham te

Cambodian – Soro lahn nhee ah

Cantonese Chinese – Ngo oiy ney a

Catalan – T’estimo

Cherokee – Tsi ge yu i

Cheyenne – Ne mohotatse

Chichewa – Ndimakukonda

Corsican – Ti tengu caru (to male)

Creol – Mi aime jou

Croatian – Volim te

Czech – Miluji te

Danish – Jeg Elsker Dig

Dutch – Ik hou van jou

Elvish – Amin mela lle (from The Lord of The Rings, by J.R.R. Tolkien)

Esperanto – Mi amas vin

Estonian – Ma armastan sind

Ethiopian – Afgreki’

Faroese – Eg elski teg

Farsi – Doset daram

Filipino – Mahal kita

Finnish – Mina rakastan sinua

French – Je t’aime, Je t’adore

Frisian РIk h̢ld fan dy

Gaelic – Ta gra agam ort

Georgian – Mikvarhar

German – Ich liebe dich

Greek – S’agapo

Gujarati – Hoo thunay prem karoo choo

Hiligaynon – Palangga ko ikaw

Hawaiian – Aloha Au Ia’oe

Hebrew – Ani ohevet otekh (to female)

Hebrew – Ani ohev otkha (to male)

Hiligaynon – Guina higugma ko ikaw

Hindi – Hum Tumhe Pyar Karte hae

Hmong – Kuv hlub koj

Hopi – Nu’ umi unangwa’ta

Hungarian – Szeretlek

Icelandic – Eg elska tig

Ilonggo – Palangga ko ikaw

Indonesian – Saya cinta padamu

Inuit – Negligevapse

Irish – Taim i’ ngra leat

Italian – Ti amo

Japanese – Ainutseru

Kannada – Naanu ninna preetisuttene

Kapampangan – Kaluguran daka

Kiswahili – Nakupenda

Konkani – Tu magel moga cho

Korean – Sarang Heyo

Latin – Te amo

Latvian – Es tevi miilu

Lebanese – Bahibak

Lithuanian – Tave myliu

Luxembourgeois – Ech hun dech gäer

Macedonian – Te Sakam

Malay – Saya cintakan mu / Aku cinta padamu

Malayalam – Njan Ninne Premikunnu

Mandarin Chinese – Wo ai ni

Marathi – Me tula prem karto

Mohawk – Kanbhik

Moroccan – Ana moajaba bik

Nahuatl – Ni mits neki

Navaho – Ayor anosh’ni

Norwegian – Jeg Elsker Deg

Pandacan – Syota na kita!!

Pangasinan – Inaru Taka

Papiamento – Mi ta stimabo

Persian – Doo-set daaram

Pig Latin – Iay ovlay ouyay

Polish – Kocham Ciebie

Portuguese – Eu te amo

Romanian – Te iubesc

Russian – Ya tebya liubliu

Scot Gaelic – Tha gradh agam ort

Serbian – Volim te

Setswana – Ke a go rata

Sign Language – ,,,/ (represents position of fingers when signing’I Love You’)

Sindhi – Maa tokhe pyar kendo ahyan

Sioux – Techihhila

Slovak – Lu’bim ta

Slovenian – Ljubim te

Spanish – Te quiero / Te amo

Swahili – Ninapenda wewe

Swedish – Jag alskar dig

Swiss-German – Ich lieb Di

Surinam – Mi lobi joe

Tagalog -Mahal kita

Taiwanese – Wa ga ei li

Tahitian – Ua Here Vau Ia Oe

Tamil – Nan unnai kathalikaraen

Telugu – Nenu ninnu premistunnanu

Thai – Chan rak khun (to male)

Thai – Phom rak khun (to female)

Turkish – Seni Seviyorum

Ukrainian – Ya tebe kahayu

Urdu – mai aap say pyaar karta hoo

Vietnamese – Anh ye^u em (to female)

Vietnamese – Em ye^u anh (to male)

Welsh – ‘Rwy’n dy garu di

Yiddish – Ikh hob dikh

Yoruba – Mo ni fe !!

                                                                                                                                                                  
কৌতুক 43
মিসেস মরজিনা একদিন এক “মডার্ন আর্ট” গ্যালারীতে গেল।

অনেক গুলো ছবি দেখার পর সে একটি আর্টের ডিলারকে জিজ্ঞাসা করলো,

মিসেস মরজিনাঃ আপনার এই ভয়ংকর ছবি কে আপনি “মডার্ন আর্ট” মানেন? :O

আর্ট ডিলারঃ আফা, এইডা কোনো আর্ট না, এইডা একডা আয়না!! :p :p

কি বুঝলেন? 😉 😉

সমাপ্ত
কৌতুক 42
স্বামী এবং Softwares…

স্বামী কাজ থেকে বাসায় ফেরার পর…
স্বামীঃ শুভ সন্ধ্যা প্রিয়তমা,আমি এখন logged in.”
স্ত্রীঃ আমার আংটি এনেছ?
স্বামীঃ Bad command or filename.
স্ত্রীঃকিন্তু আমি তোমাকে সকালে বলেছি…
স্বামীঃ Erroneous syntax.
স্ত্রীঃ আমার জন্য নতুন ব্লাউজ এনেছ?
স্বামীঃ Variable not found…
স্ত্রীঃ অন্ততঃ তোমার ক্রেডিট কার্ডটা দাও,আমি কিছু সপিং করব।
স্বামীঃ Sharing Violation. Access denied…
স্ত্রীঃ তুমি কি আমাকে ভালবাস,না কম্পিউটার কে ভালবাস বেশি,না তুমি
আমার সাথে রসিকতা করছ?
স্বামীঃ Too many parameters. Abort!
স্ত্রীঃ তোমার মত হাবাকে বিয়ে করে মারাত্মক ভুল করেছি।
স্বামীঃ Data type mismatch.
স্ত্রীঃ তুমি আস্ত একটা অপদার্থ।
স্বামীঃ Husband: Default Parameter.
স্ত্রীঃ তোমার বেতনের খবর কি?
স্বামীঃ Access denied. File in use…
স্ত্রীঃ সকালে গাড়িতে তোমার সাথে কে ছিল?
স্বামীঃ System unstable. Press CTRL + ALT + DEL to Reboot.
জলদি লাইক মারেন

সমাপ্ত
কৌতুক 41
ডিজিটাল বাংলাদেশ
ধরেন টেকনাফ টু তেঁতুলিয়া পুরা বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়া গেল। কি অবস্থা হবে তাহলে তার কিছু খন্ডচিত্র।

১. খালাম্মা ডেকচির ঢাকনা খুইজ্জা পাইনা।
এক কাজ কর। “ডেকচির ঢাকনা” লেইখা গুগলে সার্চ দে।
২. ছোটাপ্পি, পাশের বাসার বাবুটাররক্তে
ম্যালিরিয়ার ভাইরাস পাওয়া গেছে। আমার ও তো হবে।ভয় পাস না গিট্টু। তিন দিন পর পর তোর এন্টিভাইরাস নেট থেকে আপডেট করে দিবো। তুই খালি প্রতিসপ্তাহে পুরা বডি স্ক্যান করবি।
৩. আয় হায়রে দোস্ত শার্টে চা পইড়া তো ভাইসা গেলো। একটু পর ল্যাব ভাইবা।খাড়া ফটোশপ CS100 দিয়া তোর শার্টের দাগ মুইছা দিতাছি।
৪. ওগো শুনছো। আমার না খুব ভয় করছে। যদি রাতে চোর আসে। ক্যান? বাড়ির চারপাশে ফায়ারওয়াল এক্টিভেট করা আছেনা?
৫. বাবু উঠো। তোমার স্কুল টাইম হয়ে গেছে তো।
এই বৃষ্টিতে কীভাবে স্কুলে যাবো মা?
তোমাকে ই মেইল করে স্কুলে পাঠাবো বাবা !! 😛

সমাপ্ত
কৌতুক 40
এক ছেলে আর মেয়ের কারের মধ্যে এক্সিডেন্ট হয় আর তাতে দুইটা কার ই পুরো নষ্ট হয়ে যায় !
কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে দুজনই আহত হওয়া থেকে বেচে যায়
তারা দুইজন কার থেকে বের হয়ে আসার পর মেয়ে বলল “ ওহ আপনি একজন ছেলে!! এটা ইন্টারেস্টিং, আমাদের কার দেখেন দুইটাই পুরপুরি শেষ কিন্তু আমাদের কিছুই হয়নি এটা নিশ্চয় বিধাতার ইচ্ছা যে আমরা দুইজন একসাথে মিলি আর দুইজন সারাজীবন একসাথে সুখে থাকি!!
এর পর মেয়েটি আরও বলতে থাকলো “ দেখেন আরেকটা অলৌকিক ঘটনা!! আমার গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলেও আমার গাড়ির ওয়াইন এর বোতল নষ্ট হয়নি এটাও হয়ত আরও একটা নিদর্শন যাতে আমরা এটা পান করে আমাদের ভাগ্য উদযাপন করি!! এর পর লোকটি অর্ধেক বোতল ওয়াইন শেষ করে মহিলার কাছে দিল কিন্তু মহিলা সেটার মুখ বন্ধ করে লোকটির হাতে ফিরিয়ে দিল । লোকটি বলল কি হল খাবেন না !! তখন মহিলা বললঃ “ নাহ আমি অপেক্ষা করতেছি কখন পুলিশ আসবে আর তাদের এভিডেন্স কালেক্ট করবে!!!!
মরালঃ ছেলেরা সাবধানে থাইকেন 😛 😛
সমাপ্ত
কৌতুক 39
মানুষ সব থেকে বেশি কার কাছে মাফ চায় ?
.
.
.
.
.
.
বসের কাছে ?
বউয়ের কাছে ?
প্রেমিক/প্রমিকার কাছে ?
.
No,,No,,
?
?
?
?
ভিকারীর কাছে ।
“মাফ করো বাবা, সামনে যাও….. :p
সমাপ্ত
কৌতুক 38
অবিলম্বে হরতালে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ বন্ধ করতে হবে ! ! ! এর
পরিবর্তে Laughing Gas – এর ব্যবহার করতে হবে…এটি ব্যবহারের সুবিধাগুলো হবে :
1. হরতাল হবে আনন্দময় ! ! !
2. বিরোধী দল হরতালে তাদের নেতা-কর্মীদের উপর নির্যাতন করা হয়েছে –
এমন অভিযোগ করতে পারবেনা 😛 😛
3. অধিক পরিমান Laughing gas মানুষের স্নায়ুতে আঘাত করে, অতএব
সরকার দলের জন্য ইহা আশির্বাদ স্বরুপ কেননা এই
পদ্ধতিতে সাপটি মারা যাবে ঠিকই অথচ লাঠিটি থাকবে অক্ষত ! ! !
4. পত্র-পত্রিকা এবং টিভিতে হরতালের ব্যাতিক্রমী হাস্যোজ্জ্বল চিত্র/ফুটেজ
দেখা যাবে, যা সুখী-সমৃদ্ধ গণতাণ্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের
ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে ! ! !:P
5.হাঁসতে হাঁসতে সবাই মিছিল স্লোগান বক্তৃতা দিবে। চিন্তা করুন তো একটি জ্বালাময়ী ভাষণ হাঁসতে হাঁসতে দিচ্ছে, কেমন লাগবে??
সমাপ্ত
কৌতুক 37
একবার এক বাংলাদেশী সৌদি আরবে এনার্জি ড্রিংকের ব্যবসা শুরু করল।

তো এনার্জি ড্রিংক খুব একটা চলছে না।
কি আর করা তিনি পরামর্শ করতে গেলেন এক বিজ্ঞাপন নির্মাতার কাছে।

বিজ্ঞাপন নির্মাতা পরামর্শ দিলেন একটা বিজ্ঞাপন তৈরী করে শহরের বিল বোর্ডে লাগিয়ে দিতে। যেই ভাবা সেই কাজ।
পরদিন শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ যায়গায় দেখা গেল এনার্জি ড্রিঙ্কের বিজ্ঞাপণ।
বিজ্ঞাপনের প্রথম দৃশ্যে দেখা গেল এক লোক ঘেমে নেয়ে ক্লান্ত হয়ে… পড়েছে…
দ্বিতীয় দৃশ্যঃ লোকটা এনার্জি ড্রিংক খাচ্ছে…
তৃতীয় দৃশ্যঃ লোকটাকে বেশ ফ্রেশ এবং মোটাতাজা লাগছে…

এই বিজ্ঞাপন দেয়ার পরদিন থেকে ওই এনার্জি ড্রিংকের বিকি-কিনি পুরাই বন্ধ হয়ে গেল
.
.
.
কারণ আর কিছুই না সৌদি আরবের লোকজন পড়া শুরু করে ডানদিক থেকে……

সমাপ্ত
কৌতুক 36
তুমি যা চাও তা পাও না (ভালোবসা)
আবার যা পাও তা উপভোগ করো না (বিযে়)
আর যা উপভোগ করো তা চিরস্থাযী় নয় (বান্ধবী)
যা চিরস্থাযী় তা বিরক্তিকর (বৌ)
– কথাগুলা কি ঠিক ,, বন্ধুরা ??
সমাপ্ত
কৌতুক 35
ছেলে : আব্বু, আমি বিয়ে করবো ।
বাবা : বাবা, তোমার তো এখন ও বয়স হয়নি । আরেকটু বড় হও তার পর তোমার বিয়ে দিব ।
ছেলে : আচ্ছা, আমি তাহলে খেলতে যায় ।
বাবা: কোথায় খেলতে যাবা ?
ছেলে : আব্বু , পাশের বাড়ির সুমির সাথে খেলতে যাব ।
… বাবা : না বাবা, তুমি তো এখন বড় হইছো । এখন তো আর সুমির সাথে খেলা যাবেনা ।
ছেলে : আব্বু . তাহলে আমার বিয়ে **
বাবা : !!!!!!!!!!????!!!
:p ;q
সমাপ্ত
কৌতুক 34
আপনার সম্পর্কে ১০টি চরম সত্য ঘটনা যা আমি জানিঃ
১) আপনি এখন এটি পড়া শুরু করেছেন।
২)আপনি মোটামুটি ভাবে ধরে ফেলেছেনযে এটা একটা ভুয়া জিনিষ।
৪) তবে একটা জিনিষ ধরতে পারেননি এবং সেটা হল
তিন নম্বরটিবাদ পড়েছে।
৫) আপনি এইমাত্র তা পরীক্ষা করলেন এবং দেখলেন
যে ঘটনাটি সত্য।
৬) আপনি হাসছেন।
৭) তারপরও একটি ফালতু লেখা জেনেও আপনি এই
লেখাটি পড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।
৯) কিন্তু, আপনি আবারো খেয়াল করেননি;আমি আট নম্বর
বাদ দিয়েছি।
১০) আপনি এটা চেক করলেন এবং চিন্তা করছেন
আবারো কিভাবে ভুলটা করলেন!!!
১১) জিনিষটা আপনাকে একটু হলেও আনন্দ দিয়েছে।
১২) আপনি হয়তো খেয়ালকরেন
নি যে আসলে এখানে ১০টি চরমসত্য বলা হয়েছে,
১২টি নয়।
সমাপ্ত
33
@ হরতালের ছড়া @

হরতাল! হরতাল!!
কিযে হবে আজ
যাব না আর বাইরে
থাকুক যতই কাজ!

খুলবে না দোকান-পাট
চলবে না গাড়ি
খেতে হবে রাজপথে
পুলিশের বাড়ি!

গাড়ি-ঘোড়া ভাঙবে
পুঁড়বে জ্বলবে
হরতাল! হরতাল!!
জনতায় বলবে।

সমাপ্ত
কৌতুক 33
এক লোকের স্ত্রী এক যায়্গায় একটা সাইনবোর্ড দেখোলো।

সিল্কের শাড়ি= ১০ টাকা।

জামদানি শাড়ি= ৮ টাকা।

এটা দেখে সে তার স্বামীকে বললো- কি বিশাল ডিসকাউন্ট, অবিশ্বাস্য,.. ডার্লিং, আমাকে ৩০০ টাকা দেও। আমি ২০-৩০ টা শাড়ি কিনবো।



স্বামী- আরে জান্, ওটা তো লন্ড্রির সাইনবোর্ড্।

সমাপ্ত
কৌতুক 32
দুই বন্ধু অফিস থেকে হেঁটে হেঁটে বাসায় ফিরছে।
১ম বন্ধুঃ আমার স্ত্রী রোজ অভিযোগ করে তার ঘরে পরার মত কোনো জামা নেই।
২য় বন্ধুঃতুই কি করলি?জামা কিনে দিলি?
১ম বন্ধুঃ আরে না,ঘরের সব দরজা জানালায় পরদা লাগিয়ে দিলাম।যাতে পরার কাপড় না থাকলেও অসুবিধা না হয়।
.
বুঝতে পারলে লাইক/কমেন্ট হবে মামা-মামীরা।
সমাপ্ত
কৌতুক 31
♦নকল বন্ধু Vs আসল বন্ধু♦
•নকল বন্ধু- কখনো আপনার কাছে খাইতে চাইবে না
•আসল বন্ধু-আপনা র খাবার না থাকার কারন হবে
•নকল বন্ধু- কখনো আপনার কান্না দেখবেনা
•আসল বন্ধু-আপনা র সাথে কাদবে
•নকল বন্ধু- আপনার কাছ থেকে কিছু নেবে আর ফিরিয়ে দিবে 8-|
•আসল বন্ধু-আপনা র জিনিষ নিজের মনে করে রেখে দিবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার মনে হবেনা যে এটা আপনার
•নকল বন্ধু- আপনার সম্পর্কে খুব কম কিছু জানে :/
•আসল বন্ধু-আপনা র সম্পর্কে বই লিখে ফেলতে পারবে
•নকল বন্ধু- আপনার ঘরে এসে নক করবে
•আসল বন্ধু-এমনি তে ঘরে ঢুকে যাবে আর বলবে চইলা আইছি দোস্ত
•নকল বন্ধুঃ কিছু সময় এর জন্য
•আসল বন্ধুঃ চির জীবনের জন্য

সকল আসল বন্ধুদের উৎসর্গ করলাম ,
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ।

সমাপ্ত

কৌতুক 30

এক লোক এমন একটি lie detector রোবট কিনে নিয়ে আসলো যে মিথ্যা ধরতে পারে এবং মিথ্যুককে থাপ্পরও দেয়
বাবা : স্কুলের সময় আজ তুমি কোথায় ছিলে ?
ছেলে:স্কুলে [রোবট সাথে সাথে থাপ্পর মারলো]
… … ছেলে: ওকে,মুভি দেখতে গিয়েছিলাম
বাবা: কোনটা?
ছেলে: হ্যারি পটার [রোবটের থাপ্পর ]
ছেলে: ওকে আমি পর্নো দেখতে গিয়েছিলাম
বাবা: কি !!!আমি তোমার বয়সে পর্ণো কি তাই জানতাম না [রোবটের থাপ্পর ]
মা: Hahahahaha! আফটার অল সে তোমারই ছেলে [রোবটের থাপ্পর]:P
Collected
সমাপ্ত
কৌতুক 29
একটা মেয়ে টেলিফোন এঃ আমি একটা নতুন বয়ফ্রেন্ড পেয়েছি যে তোমার থেকে সুন্দর , স্মার্ট এবং ভালো। তাই তুমি আমাকে আমার ছবি টা ফেরত পাঠাও।

মশিউর তাকে ৫০ টা মেয়ের ছবি পাঠায় দিলো আর বললো, ডার্লিং
.
.
… .
.
.
.
.
.
.
.
আমি তোমার চেহারা ভুলে গেছি , তুমি দয়া করে তোমার ছবি টা খুজে বের কর , তারপর বাকি ৪৯ টা ছবি আমাকে ফেরত পাঠাও !

সমাপ্ত
কৌতুক 28
ছেলে রাত করে বাড়ি ফিরেছে

বাবা: কোথায় ছিলি রে হারামজাদা ?

ছেলে: আমি আমার ফ্রেন্ড এর বাসায় ছিলাম (!)

বাবা তৎক্ষনাত কয়েকজন ছেলে বন্ধুদেরকে ফোন দিলেন

৪ নং ফ্রেন্ড বললো : ” জ্বী আঙ্কেল! সে তো আমার সাথে ছিল”

৩ নং ফ্রেন্ড বললো: ” ও কিছুক্ষন আগে চলে গিয়েছে”!

২ নং ফ্রেন্ড বললো: ” চাচা, ও আমার সাথেই আছে (!!) এবং আমরা দুজন পড়ছি (?!!?)

সব শেষের জন সব লিমিট ক্রস করলো, এব বললো-
” হ্যাল্লো আব্বু, আমার আজ রাতে আসতে দেরী হবে !!!!

সমাপ্ত
কোনো এক শীতের সকালে,
কুয়াশা মোড়া সূর্যকে প্রশ্ন করেছিলাম, ভালোবাসা কি?
সূর্য বলেছিলো,
আমার আলোয় ঝলসে উঠা একফোঁটা শিশির বিন্দুই ভালোবাসা!!

সুন্দর কোনো এক বিকেলে,
স্রোতস্বিনী কোনো নদীকে প্রশ্ন করেছিলাম, স্বপ্ন কি?
নদী বলেছিলো,
সমস্ত বাধা অতিক্রম করে সমুদ্রের পানে ছুটে যাওয়াই স্বপ্ন!!

নির্ঘুম এক রাতে,
মেঘমুক্ত নির্মল আকাশকে প্রশ্ন করেছিলাম, সুখ কি?
আকাশ বলেছিলো,
আমার বুকে হাজারো তারার ভীড়ে চাঁদের মিষ্টি হাসিটাই সুখ!!

কোনো এক ব্যাথাভরা সন্ধ্যায়,
আমায় একজন প্রশ্ন করেছিলো, কষ্ট কি?
আমি বলেছিলাম,
হৃদয় উজাড় করে ভালোবেসে ভালোবাসার বিনিময়ে অবহেলা পাওয়ার নামই কষ্ট!!

♥★♥

ভালোবাসার মানুষটাকে কখনো কষ্ট দিবেন না।। হোক সে আপনার বাবা, মা, ভাই, বোন, অথবা প্রিয় কেউ।।

সমাপ্ত
কৌতুক 27
ঘটনাঃ ২০৫০ সাল।

আমেরিকাতে মানুষের ব্রেইন (Brain)
বিক্রির জন্য প্রদর্শনী হচ্ছে।

একজন ক্রেতা অনেক স্টল ঘুরে “বাংলাদেশ”
লেখা স্টলে গেল। ওখানে দেয়া আছে।

আমারিকান ব্রেইন= $ ২০,০০০ ডলার।
ব্রিটিশ ব্রেইন= $ ৩৫,০০০ডলার ।
আরাবিয়ান ব্রেইন= $ ৭৫,০০০ ডলার
বাংলাদেশী ব্রেইন= $ ১,০০,০০০ ডলার

স্টল স্টাফকে ক্রেতা জিজ্ঞেস করলেন।
ক্রেতাঃ অন্য দেশের মানুষের ব্রেইনের
দাম অনেক কম কিন্তু বাংলাদেশের
মানুষের ব্রেইন এত বেশী কেন?
স্টাফঃ অন্য দেশের মানুষরা মারা যাওয়ার আগেতাদের ব্রেইন ২০% এরও বেশি ব্যবহার করে ফেলেছে। কিন্তু বাংলাদেশীরা ব্যবহার করেছে মাত্র ৫%, একেবারে পিউর ব্রেইন। তাই দাম একটু বেশিই। :p q;

সমাপ্ত
কৌতুক 26
ইচ্ছে করতাছে বিয়াডা কইরাই ফালাই ।
তো এই জন্যে কাজী অফিসে ও গেছিলাম . . .

আমি: আসতে পারি ?

কাজী: আসুন ।

আমি: ধন্যবাদ ।

কাজী: বসুন এবং বলুন আপনাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি ?

আমি: জ্বি . .(ম ম ম) মানে এক জন ছাত্রের বিয়ে করতে কি কি লাগে ?

কাজী: কার জন্য?

আমি: আ আ আমার জন্য ।

কাজী: পাত্রী লাগবে,এস এস সি পরীক্ষার সনদ, দুই জন সাক্ষী , একশ টাকার স্ট্যাম্পে র একটা দলিল । আর বাকি থাকে কাবিন নামা ।ঐটার ব্যবস্থা আমি করব । বাকী গুলার ব্যবস্থা আপনি করেন ।

আমি: সব ব্যবস্থাই করতে পারব । তয়একটা কথা ছিল ।

কাজী: কী কথা ?
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমি: পাত্রীর এই খানে আসাটা কী জরুরি? ওরে না জানায়া কাজটা সারাযায় না ?
ধরেন ওরে একটা সারপ্রাইজ দিলাম আর কি !!!

সমাপ্ত
কৌতুক 25
স্যারঃ ৪ টা উভচর প্রাণির নাম বলত ????
বল্টুঃ জি স্যার, ব্যাঙ।
স্যারঃ আর বাকি ৩ টা ????
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টুঃ ব্যাঙ এর বাবা, ব্যাঙ এর মা আর ব্যাঙ এর গার্লফ্রেন ্ড 😛
.
ওরে লুল রে লুল ভেরি ভেরি লুল 😛
.
” ভালো লাগলে স্ট্যাটাস’ এ লাইক দেবেন, মনে রাখবেন লাইক দিতে পয়সা লাগেনা,লুল ” :p
সমাপ্ত
কৌতুক 24
মেয়ের হাতে একটি মশা বসে
থাকতে দেখে মেয়েকে জিজ্ঞেস
করলেন,
‘মামণি তুমি মশাটা মারছো না কেন?
উত্তরে মেয়ে বলল,
কেন মারবো বাবা?
আমিতো মশাটাকে রক্ত দিচ্ছি।
কারণ,, আমাদের স্যার
বলেছেন রক্ত দেয়া একটি
মহৎ কাজ। :p
সমাপ্ত
কৌতুক 23
আজকে একটা মজার কবিতা শেয়ার
করি আপনাদের সাথে !!!!

একদা তুমি আমার হৃদয়ের Web এ করেছিলে Sign-up
দু:খ কষ্ট ঝেড়ে ফেলে আনন্দের জোয়ারে
নিজেকে ভাসিয়ে বেঁচেছিলাম ছেড়ে হাফ।।
হাজানো গান কবিতা funny video, Picture
করেছিলাম upload-download
সারাদিন ব্যস্ত থাকা তোমায় নিয়ে
অলওয়েজ ভাল থাকতো আমার mode ।।
মিনিটে মিনিটে send হতো sms আর chating
বুঝতেই পারিনি কখন তুমি
আমার হৃদয়ের সর্বস্ব করেছিলে hacking ।।
‘COLLECTED’

সমাপ্ত
কৌতুক 22
এদের অপর নাম স্ত্রী !! তুমি যখন তাকে আশা করছো না তখন সে এসে হাজির ! নিজে নিজেই ইনস্টল হয় এবং সব ডাটা ব্যবহার করে !!তুমি যদি তাকে আন-ইন্সটল করতে চাও তাহলে কিছু জিনিস মিস করবে ! কিন্তু তুমি যদি তাকে আন-ইনস্টল না কর তাহলে জীবনের সব কিছুই মিস করবে !!
সমাপ্ত
কৌতুক 21
HARD-DISK Vs Girls:
সে সব সময় সব কিছু মনে রাখে।

RAM Vs Girls:
সে তোমাকে ভুলে যাবে; যখনই তুমি তার খোঁজ নেওয়া বন্ধ করবে।

WINDOWS Vs Girls:
সবাই জানে যে সে কিছুই ঠিক ভাবে করতে পারে না!
তবে কেই এই টাইপের মেয়েদের ছাড়া বাঁচতে পারে না !!

SCREENSAVER Vs Girls:
সে আসলে কিছুই না !! শুধু মজা দিতে সক্ষম।

INTERNET Vs Girls: এক্সেস পাওয়া কঠিন

SERVER Vs Girls: তোমার যখনই তাকে দরকার হবে সে তখনই ব্যস্ত !

MULTIMEDIA Vs Girls: সে জঘন্যতম জিনিসকেউ দারুন বানিয়ে ফেলে !

CD-ROM Vs Girls:
সে সব সময়ই ছুটতে থাকে !! দ্রুত থেকে দ্রুত !

E-MAIL Vs Girls:
১০ টা কথা বললে ৮ টাই সব সময় ননসেন্স হয় !

VIRUS Vs Girls:

সমাপ্ত
কৌতুক 20
পিয়ন: স্যার
চিঠি এসেছে।
বদরাগী বসঃ কোন
ছাগলের চিঠি?
পিয়নঃ স্যার
আপনার।
বদরাগী বসঃ কোন
গাধা লিখেছে?
পিয়নঃ আপনার
বাবা বোধহয়। :p q;
সমাপ্ত
কৌতুক 19
একটা ছেলে একটি মেয়েকে ভালবাসতো…
মেয়েটি অন্ধ ছিল…
সে তার বয়ফ্রেন্ড ছাড়া বাকি সবাইকে অপছন্দ করত…
সে সবসময়ই বলতো আমি যদি দেখতে পেতাম তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করতাম…

একদিন কেউ একজন মেয়েটিকে চোখ দান করে…
মেয়েটির অপারেশন সফল হয়…

মেয়েটি যখন তার বয় ফ্রেন্ড কে দেখল সে ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নিলো…
সে অবাক হল সে যাকে ভালবেসেছিল সেই ছেলেটিও অন্ধ…
সে ছেলেটিকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়…

ছেলেটি কিছু না বলে মেয়েটির জন্য একটি চিঠি রেখে গেল…
চিঠিতে লেখা ছিল…

“তুমি ভালো থেকো আর আমার চোখের যত্ন নিয়ো ”

সমাপ্ত
কৌতুক 18
[একটু সময় নিয়ে পড়ুন]

একটি ছেলে স্কুলে গিয়ে নতুন …শিখেছে, প্রতিটা কাজই মুল্যবান… কোনো কাজই ফেলনা নয়…
সব কাজেরই একটা অর্থ/মূল্য আছে…
… … এছাড়া কীভাবে বিল করতে হয়, তাও তাকে শেখানো হয়েছে…
একদিন ছেলেটি তার মা’র কাছে গিয়ে একটা বিল জমা দিল…
মা ছেলের দেয়া চিরকুটটা পড়লেন…

ছেলে লিখেছেঃ-
১. গাছে পানি দেয়াঃ ১০ টাকা
২. দোকান থেকে এটা-ওটা কিনে দেয়াঃ ১৫টাকা
৩. ছোট ভাইকে কোলে রাখাঃ ৪০টাকা
৪. ডাস্টবিনে ময়লা ফেলাঃ ২০টাকা
৫. পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করাঃ ৫০টাকা
৬. মশারী টানানোঃ ৫ টাকা
মোটঃ ১৪০ টাকা!!
.
.
.
.

মা বিলটা পড়ে মুচকি হাসলেন…
তারপর তার আট বছরের ছেলের মুখের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন…
তার চোখে পানি চলে আসছে…
তিনি এক টুকরো কাগজ নিয়ে লিখতে লাগলেন….

১. তোমাকে ১০মাস পেটে ধারনঃ বিনা পয়সায়
২. তোমাকে দুগ্ধপান করানোঃ বিনা পয়সায়
৩. তোমার জন্য রাতের পর রাত জেগে থাকাঃ বিনা পয়সায়
৪. তোমার অসুখ-বিসুখে তোমার জন্য দোয়া করা, সেবা করা, ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাওয়া,তোমার জন্য চোখের পানি ফেলাঃ বিনা পয়সায়
৫. তোমাকে গোসল করানোঃ বিনা পয়সায়
৬. তোমাকে গল্প,গান,ছড়া শোনানোঃ বিনা পয়সায়
৭. তোমার জন্য খেলনা, কাপড় চোপড় কেনাঃ বিনা পয়সায়
৮. তোমার কাথা ধোওয়া, শুকানো, বদলে দেওয়াঃ বিনা পয়সায়
৯. তোমাকে লেখাপড়া শেখানোঃ বিনা পয়সায়
১০. এবং তোমাকে আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসাঃ সম্পূর্ন বিনা পয়সায় …

অতঃপর সন্তান তার মার হাত থেকে বিল টা নিয়ে নিচে ছোট্ট করে লিখে দিল=এ বিল জীবন দিয়েও পরিশোধ করা সম্ভব নয়।
সন্তান এর চোখ এর কোনায় তখন অশ্রুর অবস্থান

পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ এবং নিঃস্বার্থ ভালবাসা হল মায়ের ভালবাসা।
সেই মাকে যেন আমরা কোনভাবেই কষ্ট না দেই।

সমাপ্ত
কৌতুক 17
এক মহিলার গর্ভে সন্তান রেখে তার স্বামী মারা যায় এবং তার কিছুদিন পরে মহিলাটি একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেয়।

মহিলাটি অনেক কষ্ট করে তার ছেলেকে বড় করে এবং প্রাপ্ত বয়স হলে ছেকেটিকে বিয়ে করিয়ে দেয় একটু সুখের আশায়। কিন্তু কিছুদিন পরে ছেলেটি তার মার সাথে খারাপ আচরন করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

তখন মহিলা কোন পথ খুজে না পেয়ে ওই এলাকার মোড়লের কাছে বিচার দেয়।
মোড়ল বিচার বসায় এবং ছেলেটিকে বলেঃ ঠিক আছে তোর মাকে তোর দেখাশুনা করা লাগবেনা, তবে একটা সর্ত আছে…!!
ছেলেটি জানতে চাইলোঃ সর্তটা কি???
তখন মোড়ল বললঃ তোর মা তোকে ১০মাস ১০দিন পেটে রেখে জন্ম দিয়েছেন, শুধু এই ঋণ টুকু তুই শোধ করে দে…!!

তাতে ছেলেটি রাজী হল। মোড়ল ছেলেটির পেটে একটা ইট বেধে দিলো এবং বললঃ এটা তুই ১০মাস ১০দিন না, ৩মাস ৩দিন তোর পেটে বেধে রাখবি তাহলেই তোর অপরাধ ক্ষমা করা হবে এবং তোর মার দেখাশুনাও আমি করব…!!

ছেলেটি মোড়লের কথা মত রাজি হল এবং ইট বাধা অবস্থায় চলে গেলো।
তার ১দিন ২দিন ভালই গেলো, কিন্তু ৩দিনের দিন তার কাছে সেই ইট ১০মোন উজনের পাথরের মত মনে হতে লাগলো…!! আর ঠিক তখনি ছেলেটি তার সব ভুল বুঝতে পারল এবং তার মার পা ধরে ক্ষমা চেয়ে কাদতে লাগলো এবং তার মা তাকে ক্ষমা করে দিয়ে বুকে জরিয়ে নিলো।

তখন ছেলেটি বুঝতে পারে একটা সন্তানের জন্য মা কি পরিমান কষ্ট করে একটি সন্তান জন্ম দেয়…!! তাই আমার অনুরোধ যারা তাদের মার সাথে খারাপ আচরন করেন তারা নিজের মাকে ভালবাসতে সিখুন…!!

সমাপ্ত

16
এক লোক তার গাড়ি পার্ক করে এক ফুল দোকানে গেল। সেখানে তিনি তার মায়ের জন্য কিছু ফুলের অর্ডার দিলেন এবং ঠিকানা দিলেন কোথায় পাঠাতে হবে। তার মা তার থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে থাকেন। সেখানে ফুলগুলো পাঠানোর জন্য বললেন তিনি।
অর্ডার শেষে যখন গাড়ির কাছে আসলেন দেখলেন যে , ছোট্ট এক মেয়ে গাড়ির পাশে বসে কাঁদছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন কাঁদছো কেন?
মেয়েটি বললো যে, সে তারা মায়ের জন্য একটি গোলাপ কিনতে চায়। কিন্তু তার কাছে টাকা নেই। লোকটি মেয়েটিকে দোকানে নিয়ে গেল এবং ফুল কিনে দিল। এরপর বললো যে, তোমাকে আমি নামিয়ে দিতে পারবো যদি তুমি চাও। মেয়েটি গাড়িতে উঠে বসলো।
লোকটি জিজ্ঞেস করলো কোথায় নামবে?

মেয়েটি কাছেই একটি কবরস্থানের কথা বললো। লোকটি কবরস্থানের কাছে নিয়ে গেল। অবাক হয়ে বললো, এখানে কোথায়! মেয়েটি কিছু না বলে গাড়ি থেকে নেমে নতুন একটি কবরের দিকে এগিয়ে গেল। ওখানে ফুলটি গেঁথে দিয়ে বললো,”আমি তোমাকে ভালোবাসি’মা’।”
লোকটির চোখে পানি চলে আসলো। সে আবার আগের ফুল দোকানে গেল, তার অর্ডারটি বাদ দিলো এবং ফুলের একটি তোড়া কিনলো। এরপর চললো ২০০ মাইল দূরে মায়ের কাছে।

▓ সবাই মা-কে ভালোবাসুন। কখনো মা-কে কষ্ট দিবেন না। যতটা পারুন মা-য়ের সাথে দেখা করুন। কেননা এই মা-ই একসময় আপনাকে চোখে চোখে রাখতো। হয়তো সামনে আপনি চাইলেও এই মা-কে আর এক পলক দেখতে পাবেন না। ▓

সমাপ্ত
কৌতুক 15
এক শাশুড়ি একবার ঠিক করলেন,তার দুই মেয়ের জামাই এর মধ্যে কে তাকে বেশি ভালোবাসে সেটা তিনি পরীক্ষা করবেন!!

১ম দিন তিনি ১ম জামাইএর সামনে নদীতে লাফ দিলেন, আর ডুবে যেতে লাগলেন, দেখার জন্য যে, জামাই তাকে বাঁচায় কিনা!! জামাই নদীতে লাফ দিয়ে তাকে বাঁচালো!!

শাশুড়ি তাকে খুশি হয়ে একটা বাইক গিফট করলেন!!

পরের দিন তিনি ২য় জামাই এর সামনে নদীতে লাফ দিলেন, একই পরীক্ষা করার জন্য!!

কিন্তু এই জামাই তাকে দেখতে পারতো না, তাই সে বাঁচালো না!! শাশুড়ি মারা গেলো!!

কিন্তু পরের দিন দেখা গেলো ২য় জামাই মার্সিডিজ নিয়ে ঘুরছে!!

১ম জামাই অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, এটা কোথায় পেলে??

তখন ২য় জামাই হেসে জবাব দিলো, “আমার শ্বশুর খুশি হয়ে এটা গিফট করেছে!!” 😛

এক ছেলে কোন কারনে আত্মহত্যা করতে চাইল সে এর আগে ২ টা মেসেজ করল
১ টা গার্লফ্রেন্ড কে
আরেকটা দোস্ত কে
“আমি যাচ্ছি তাড়াতাড়ি রিপ্লাই দিও”
আর
প্রথম রিপ্লাই আসল গার্লফ্রেন্ড এর
“তুমি কোথায় যাচ্ছ? আমি বিজি পরে দেখা করব”
এটা পড়ে তার খুব কষ্ট লাগলো
২য় মেসেজ বন্ধু এর
“আরে আমারে রাইখা একলা কই যাস আমিও আসতেছি”
এটা পড়ে ছেলেটি হাসল আর ভাবল আজ আবার প্রেম বন্ধুত্ব এর কাছে হেরে গেলো!!
সমাপ্ত
কৌতুক 14
মেয়েঃআমি যদি পড়ে যাই তুমি কি আমাকে তুলবে??

ছেলেঃনা!!

মেয়েঃআমি যখন দুঃখ পাব তুমি কি আমার কান্না মুছিয়ে দেবে??

ছেলেঃনাহ!!

মেয়েঃআমাকে দেখতে যদি কখনো খারাপ লাগে তখনো কি আমাকে ভালবাসবে??

ছেলেঃ না!!

মেয়েঃযাই হোক!! কমপক্ষে সত্য বলার সৎ সাহস তোমার আছে!! এজন্য তোমাকে ধন্যবাদ!! 😦 😦

ছেলেটি তখন মেয়েটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললঃ

আমি তোমাকে পড়ার পর তুলবো না!! কারন, আমি তোমাকে পড়ার আগেই ধরে ফেলব!! ♥

আমি তোমার দুঃখের কান্না মুছে দিবো না!! কারন, আমি তোমার কাছে কোন দুঃখকে আসতে দেবো না!! ♥♥

যখন তোমাকে দেখতে খারাপ লাগে তোমাকে সে সময় ভালবাসব না!! কারন ওই সময় আমার কখনোই আসবে না, তুমি সব সময় আমার কাছে সুন্দর!! ♥♥♥

আমি তোমাকে অন্য সব কিছুর চেয়ে ভালোবাসি!! সব সময় এবং সর্বদা!!

** হয়ত কথাগুলো মুখের কথা কিন্তু আসলেই যদি কেউ কাউকে ঠিক এভাবে ভালবাসতে পারে সেটা হবে অসাধারন!! ♥♥

সমাপ্ত
কৌতুক 13
ডিজিটাল বাংলা ছবির শেষ দৃশ্য-

-তুই আমার মায়ের পেন ড্রাইভ ফরম্যাট
করেছিস … ইয়া ভীশুম!!

… -তুই আমার বোন কে মিস কল দিয়েছিস
… ইয়ুয়া ধিসুম ( নাকের উপর ঘুসি) !!!

– তুই আমার আব্বার ল্যাপটপ নষ্ট
করেছিস আআআ… ধাম ( আছাড় মারার
শব্দ )

-তুই আমার প্রেমিকার নামে ফেইক
আইডি খুলছিস ?
Chat করার জন্য আর টাইম
পাবি না <ঢিশুইয়াক ঢিশুইয়াক >

-তুই আমার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করেছিস (ধুম
ধাম) ??? আজকে তোকে আমি ডিলিট করেই ফেলব

< এই সময় এন্টি ভাইরাস এর আগমন ঘটবে >

এসেই এনটিভাইরাস বাহিনী বলবে “থামুন
আইন
নিজের হাতে তুলে নিবেন না জনাব…”

তারপর কোন প্রকার টেকনিক্যাল প্রবলেম
ছাড়াই নায়ক নায়িক সুখে দিনাতিপাত
করিতে লাগিল………

সমাপ্ত
কৌতুক 12
এক চেইন স্মকার কে একদিন ২ টা সিগারেট একসাথে জ্বালাতে দেখে এক ব্যাক্তি জিজ্ঞাসা করলো , ” ভাই, শেষ খাওয়া খাচ্ছেন নাকি? ”
লোকটি উত্তর দিল,
ঃ আমার বন্ধু মারা জাওয়ার আগে আমাকে বলে গিয়েছে ,’ দোস্ত, যখনি বিড়ি খাবি, আম্র নাম করেও একটা খাবি”
এই জন্যেই ২ টা খাচ্ছি।
এর কিছু দিন পর একদিন তাকে ১ টি সিগারেট খেতে দেখে লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলো ,
ঃ কি ভাই? বন্ধুর কথা ভুলে গেলেন নাকি?
লোকটির উত্তর,
ঃভাই, আমি সিগারেট খাওয়া ছেরে দিয়েছি । এখন শুধু বন্ধুর টা খাচ্ছি।।
সমাপ্ত

কৌতুক 11

লেডিস ফার্স্ট কিভাবে আসলো??
অনেক আগে এক ছেলে আর এক
মেয়ে একে অন্যকে অনেক ভালবাসত কিন্তু তাদের
বাবা মা মেনে নিলনা..
এরপর তারা পাহাড় থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করার
সিদ্ধান্ত নিল
ছেলেটা তার প্রিয়তমার মৃত্যু তার চোখের
সামনে দেখতে পারবেনা তাই সে মেয়েটিকে বুঝিএ আগেই
লাফ দিয়ে দিল
কিন্তু মেয়েটি আর লাফ দিলনা…
এর পর থেকে ছেলেরা সিদ্ধান্ত নিল
“ লেডিস ফার্স্ট “

সমাপ্ত

কৌতুক 10

$$$যখন জন্ম নিয়েছিলাম ,
তখন এক মহিলা ছিল আমাকে জড়িয়ে ধরার জন্য
একজন “মা”

যখন একটু বড় হয়ে শৈশব এ পদার পন করলাম
… এক মেয়েকে আমার খেয়াল রাখা আর খেলার সাথি হিসেবে পেয়েছি
এক বোন

যখন স্কুল এ গেলাম
এক মহিলা ছিল আমাকে শিক্ষা দানের জন্য
একজন শিক্ষিকা

আমার যখন দরকার একজন সঙ্গি সহধর্মী,
ভালোবাসার আধার হবার জন্য
একজন স্ত্রী

যখন রুক্ষ আর কঠিন হয়ে যাব একজন থাকবে যার কারনে কোমলতা ফিরে আসবে
একজন কন্যা

যখন মৃত্যুবরণ করব এক মহিলা আমাকে কাছে টেনে নিবে
আমার মাতৃভূমি

আপনি যদি ছেলে বা পুরুষ
হন সকল মেয়ে অথবা মহিলা কে তাদের প্রাপ্য সম্মান দিন।

“আপনি মেয়ে হলে নিজের জন্য গর্বিত হন “।

সমাপ্ত

কৌতুক 09

$$একটা ছেলে একটা মেয়েকে টেক্সট পাঠালো ….
ছেলেঃ Hi

মেয়ে (নিজে নিজে ভাবছে): ওহ!.. সে আমাকে টেক্সট পাঠিয়েছে.. সে কী যে চাইছে! .. হয়তো সে কথা বলতে চায় .. নয়তো সে আমার জন্য পাগল হয়ে আছে, কিন্তু সে শুধুমাত্র একটা ‘হাই’ বললো .. আমার উত্তর দেওয়া উচিত, তাকে অপেক্ষায় রাখা ঠিক হবেনা .. উমমম.. আমার আরো ২-৩ মিনিট অপেক্ষা করা উচিত যাতে সে মনে করে আমি ব্যস্ত … নাহ, এটা বোধহয় ঠিক হবেনা … সে কী আমার প্রতি দুর্বল? সে কি বোরিং ? যাই হোক না কেন, সে আমাকে চায় কি না আমি তা কেয়ার করিনা … কে বলেছে যে আমি তাকে পছন্দ করি? হুহ .. এক্ষুনি একটা রিপ্লাই দিই, নয়তো সে ভাবতে পারে তাকে নিয়ে কতোই না ভাবছি!… কি রিপ্লাই দিবো, ‘Hi’ , ‘Hi’ নাকি ‘Hey’… নাকি ‘Heyyyyy’ … ধুর এটা স্টুপিডদের কাজ … ‘Hey’-ই চলবে … তাকে বুঝতে দেওয়া যাবেনা এটা আমি উদ্দেশ্যমূ লকভাবে করলাম নাকি অ্যকসিডেন্ টাল … ওকে! সব ঠিকঠাক! (নিঃশ্বাস উঠছে.. নামছে)

মেয়ে: Heyy !!!

ছেলে: কলেজে আজকের সবগুলো ক্লাশে আমার প্রক্সি মেরে দিবা? প্লিজজজ… !! xD

সমাপ্ত

কৌতুক 08

$$লাভ ♥ স্টোরি আজকাল →
ধাপ ১ • In Love
ধাপ ২ • First Stage
ধাপ ৩ • 2nd Stage
ধাপ ৪ • Call Waiting
ধাপ ৫ • Doubt
ধাপ ৬ • Double Game
ধাপ ৭ • Fight
ধাপ ৮ • … and Breakup

সমাপ্ত

কৌতুক 07

$$দাদা : তার নাতীকে বলছে, যা পালা তাড়াতাড়ি তুই আজকে স্কুলে যাস নাই তাই তোর টিচার বাড়িতে আইছে
নাতী : আমি পালামু না তুমি বরং পালাও কারণ আমি স্যারকে বলেছি আমার দাদা মারা গেছে তাই স্কুলে যাই নাই…..

সমাপ্ত

কৌতুক 06

$$একটা ক্লাস টু এর বাচ্চা ম্যাডাম কে বলছেঃ ম্যাডাম, আমাকে আপনার কেমন লাগে??

ম্যাডামঃ সো সুইট!! কতো লক্ষ্মী একটা ছেলে তুমি!! আমি তো তোমাকে খুবই পছন্দ করি!!

বাচ্চাঃ তাহলে আমি আমার আম্মু আব্বুকে আপনার বাসাতে পাঠাই??

ম্যাডামঃ মানে!? বাসায় পাঠাবে মানে?? কেনো পাঠাবে??

বাচ্চাঃ মানে তারা যাতে আরও আলাপ আলোচনা করতে পারে!!এখুনি ঠিক করে ফেলা ভালো।। নইলে দেখা গেলো আপনি অন্য কাউকে আমার জায়গা দিয়ে ফেললেন, আর আমার তো তখন সর্বনাশ হয়ে যাবে!!

ম্যাডামঃ কি সব আজেবাজে কথা বলছো!?

বাচ্চাঃ
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
প্রাইভেট পড়ানোর জন্য ম্যাডাম!!

সমাপ্ত

কৌতুক 05

একদিন হাটতে হাটতে দেখি একটি মেয়ে ব্রিজ থেকে লাফ দিতে যাচ্ছে।

আমি জিজ্ঞাস করলামঃ আপনি কি আত্মহত্যা করতেছেন?
মেয়েটাঃ হ্যাঁ…।
আমিঃ আপনি তো আত্মহত্যাই করতেছেন, তাই আমি কি আপনাকেএকটা kiss করতে পারি?

মেয়েটা রাজি হল। kiss করলাম। kiss করে জিজ্ঞাস করলাম যে উনি কেন আত্মহত্যা করছেন।

মেয়েটাঃ দেখুন, আমার কি দোষ। আমি ছেলে বলে কি মেয়েদের মতো কাপড় পড়ে একটু সাঁজতে পারি না। আজব। আমি মেয়েদের মতো কাপড় পড়তে চাই। কিন্তু Family থেকে দেয় না। তাই আই জীবন রাখব না।
কি আর করবো বলেন। কথাটা শুনে আমিই ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করলাম…………… …।

সমাপ্ত

কৌতুক 04

সময় করে পড়ে দেখুন———->>>>>>>


একদিন এক ধনী পিতা তার ৮ বছরের সন্তান
কে নিয়ে ঘুরতে বের হলেন। বাবা চেয়েছিলেন তার
ছেলেকে বোঝাতে যে একজন মানুষ কি পরিমান দরিদ্র
হতে পারে। তারা একটি গরিব পরিবারের বাড়ি তে
সময় কাটালেন।

ওখান থেকে বাড়ি ফিরার সময়
বাবা ছেলে কে বললেন, “দেখলে তারা কি গরিব…
তাদের কাছ থেকে কি শিখলে??”

ছেলে জবাব দিল… ” আমাদের ১ টি কুকুর… তাদের
৪ টি। আমদের ১ টি ছোট Swimming Pool
আছে …….. তাদের বিশাল নদী। আমাদের
রাতে বি…ভিন্ন ধরনের বাতি আলো দেয়… তাদের
রাতে আলো দেয়ার জন্য আছে অসংখ্য তারা।
আমরা খাবার কিনি… তারা খাবার বানায়।
আমদেরকে Protect করার জন্য আছে ঘরের
দেয়াল… তাদের Protect করার জন্য আছে তাদের
অসংখ্য বন্ধু ও প্রতিবেশী। আমদের আছে বিভিন্ন
Famous লেখকের বই… তাদের
আছে Quran ,Bible,Gita …।
ধন্যবাদ Dad, আমরা যে খুবই দরিদ্র
তা আমাকে দেখানোর জন্য।”

সমাপ্ত

কৌতুক 03

এক ছেলে ক্লাস এ ফেসবুক স্ট্যাটাস আপডেট করছে….
“ ক্লাসের মধ্যেও ফেসবুক কি মজা !!!”
.
.
.

.
.
.
.
.
.
কিছুক্ষণ পর শিক্ষক এর কমেন্ট
“ বেটা ক্লাস পরীক্ষাতে জিরো পাইছ!! খাতা দিব নাকি আপলোড কইরা ট্যাগ কইরা দিব” 😛 😛

  সমাপ্ত

কৌতুক 02

৬ বছর বয়সে – “মা” সব জানে !

৮ বছর বয়সে – “মা” অনেক কিছু জানে !

১২ বছর বয়সে – “মা” আসলে সব জানেনা :\

১৪ বছর বয়সে – “মা” কিছুই জানে না !

১৬ বছর বয়সে – “মা” ধুর্,,,,

১৮ বছর বয়সে – “মা” ব্যাকডেটেড !

২৫ বছর বয়সে – বোধয় “মা”-ই ভাল জানে !

৩৫ বছর বয়সে – ডিসিসন নাওয়ার আগে, “মা”রে জিগায়া নেই ! 🙂

৪৫ বছর বয়সে -“মা” কেমনে করে এতো দূর পর্যন্ত চিন্তা করতে পারে !

৭৫ বছর বয়সে -আজ “মা” থাকলে জিজ্ঞাস করলেই সমাধান দিয়ে দিত… 😥

সমাপ্ত

কৌতুক 01

ছেলে আর মেয়ের পার্থক্য দুই মেয়ে একই কাপড় পড়লে “হারামজাদি আমার স্টাইল কপি করছে”
.
.
.
দুই ছেলে একই কাপড় পড়লে “ওহ দেখ আমাদের দুই জন এর কত মিল আমরা দুইজন দুইজন এর দোস্ত”

সমাপ্ত

  1. ধন্যবাদ আমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য…http://pchelpcenter.weebly.com/,https://pchelpcenterbd.wordpress.com/… এটা আমাদের গ্রুপের সাইড,তবে এটা ফ্রি এর কারনে যে কেউ পোষ্ট করতে পারবে না,তাই যদি কেহ টিপর্স শেয়ার করতে চান এই গ্রুপে http://www.facebook.com/groups/pchelpcenter/ পোষ্ট করে Admin এর দৃর্ষ্টি আকর্ষন করে বললেই হবে,তার নামে এই Wep site এর পাবলিষ্ট করা হবে।
    তার পরও আমাদের সাইটে হয়তো কয়েক জন লোক লেখক হিসেবে নিতে পারব..সাইট নিতে দেবে..তাই আপনি যদি ঐ গ্রুপে রিতিমতে পোষ্ট করনে,এবং আমার যদি দেখি আপনি ভালই পোষ্ট করেন এবং আপনার পোষ্ট গুলো খুব কাজের তাহলে আপনাকে সাইট থেকে ইনভাইট করব এবং তার পর থেকে আপনি লেখতে পারবেন..ধন্যবাদ ভাল থাকবেন …আর ইনভাই করার আগ পর্যন্ত আমাদের গ্রুপে পোষ্ট করে যান………….

%d bloggers like this: