প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা : সমাজ


এফএনএস ॥ সংক্ষেপে উত্তর দাও- অধ্যায় পাঁচ, মানবাধিকার

ক. মানবাধিকার কী?

সবার কি এগুলো ভোগের অধিকার আছে? উত্তর : আমরা সবাই মানুষ। ব্যক্তি হিসেবে, সমাজের সদস্য হিসেবে, আমাদের রয়েছে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার। আমরা সমাজে সম্মানসহ বসবাস করি। স্বাধীনভাবে চলাচল করি। প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারি। বিপদে পড়লে নিরাপত্তা লাভ করি। সুন্দর জীবনযাপনের জন্য এসবকিছুই আমাদের অধিকার। এ রকম আরও নানা রকম অধিকার রয়েছে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই এসব অধিকার ভোগ করতে পারি। মানুষ হিসেবে ব্যক্তির এ অধিকারগুলোকেই বলা হয় মানবাধিকার। মানুষের এ অধিকারগুলো বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার ঘোষিত হয়। একে বলা হয়ে থাকে ‘মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র।’ বিশ্বের সব মানুষ মানবাধিকার ভোগের অধিকার রাখে। মানুষের এ অধিকারগুলো বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। স্বাধীন, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য মানবাধিকারের বিকল্প নেই। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের কাছ থেকে আমরা এ অধিকারগুলো পেয়ে থাকি। বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য। সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে তাই বাংলাদেশ জাতিসংঘের মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রকে সম্মান করে। সে জন্যই আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দলিল সংবিধানে এসব অধিকারকে স্বীকৃত দেয়া হয়েছে।

খ. মানবাধিকারের কয়েকটি সুবিধা লেখ।
উত্তর : জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ নির্বিশেষে আমরা সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য কিছু অধিকার ভোগ করে থাকি। মানুষ হিসেবে আমাদের এ অধিকারগুলোকেই বলা হয় মানবাধিকার। মানুষের এ অধিকারগুলো বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে আমরা যেসব সুবিধা পাই তা নিম্নরূপ :
১. সমাজের সবাই স্বাধীন ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে পারি। ২. সমাজের সবাই সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বাঁচতে পারি।
৩. স্বাধীনভাবে চিন্তা ও মত প্রকাশ করতে পারি। ৪. স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারি। ৫. স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারি। ৬. প্রত্যেকে শিক্ষার সুযোগ লাভ করতে পারি। ৭. প্রত্যেকে জীবনের নিরাপত্তা লাভ করতে পারি। ৮. প্রত্যেকে আইনের সমান সুযোগ লাভ করতে পারি। ৯. প্রত্যেকে ন্যায়বিচার লাভ করতে পারি। ১০. বিনা কারণে গ্রেফতার ও আটক এড়াতে পারি।
প্রশ্ন : গ. মানবাধিকার বাস্তবায়িত না হলে সমাজে কী অসুবিধা সৃষ্টি হবে?
উত্তর : মানবাধিকার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। মানবাধিকার বাস্তবায়িত না হলে সমাজে যে অসুবিধাগুলো সৃষ্টি হতে পারে তা নিম্নরূপ :
১. সমাজের সবাই স্বাধীন ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে পারব না। ২. স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারব না। ৩. স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারব না। ৪. প্রত্যেকে শিক্ষার সুযোগ পাব না। ৫. প্রত্যেকে জীবনের নিরাপত্তা লাভ করতে পারব না।
৬. আইন সবার জন্য সমানভাবে বাস্তবায়ন হবে না। ৭. ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হব। ৮. স্বাধীনভাবে চিন্তা ও মত প্রকাশ করতে পারব না। ৯. আইনের অপপ্রয়োগ বেড়ে যাবে। ১০. সর্বোপরি সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। সুতরাং বলা যায়, মানবাধিকার বাস্তবায়িত না হলে উপরোক্ত অসুবিধাগুলো দেখা যাবে। তাই স্বাধীন, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য সবার মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
ঘ. জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারগুলো কী?
উত্তর : ব্যক্তি ও সমাজের সদস্য হিসেবে আমাদের রয়েছে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, লিঙ্গ নির্বিশেষে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকারকে মানবাধিকার বলে। ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার ঘোষিত হয়। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারগুলো নিচে দেয়া হলো- ১. প্রত্যেক মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন। সবার রয়েছে সমান মর্যাদা এবং অধিকার। ২. প্রত্যেকের জীবনে স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা লাভের অধিকার আছে। ৩. কাউকে নির্যাতন ও অত্যাচার করা যাবে না। ৪. ব্যক্তি হিসেবে আইনের চোখে সবাই সমান। ৫. মৌলিক অধিকার ভঙ্গ হলে প্রত্যেকের বিচার লাভের অধিকার আছে।
ক্যারিয়ার ইমিগ্রেশন ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক পরামর্শ
ক্যারিয়ার, উচ্চশিক্ষা ও ইমিগ্রান্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এ জন্য আমাদের শিক্ষার্থী ও অভিজ্ঞ প্রফেশনাল ব্যক্তিরা বেসরকারি বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সি, স্টুডেন্ট কনসালট্যান্সি ফার্ম এবং মাইগ্রেশন সার্ভিস প্রোভাইডারদের সহায়তা নিচ্ছেন। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন। আবার অনেকেই বিভিন্ন কথা ও প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করছেন। আবেদনকারী বা শিক্ষার্থীদের প্রতারিত হওয়ার মূলে রয়েছে তাদের অজ্ঞতা এবং সঠিক সিদ্ধান্তের অভাব। বিদেশে উচ্চশিক্ষা এবং ইমিগ্রান্ট ভিসার ব্যাপারে প্রথমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন দেশে যেতে চান। সেটা অবশ্যই হতে হবে আপনার সার্বিক যোগ্যতার আলোকে।

বিসিএস প্রস্তুতি : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
১. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাল্বের ভেতরে কী গ্যাস সাধারণত ব্যবহার করা হয়?
ক. নাইট্রোজেন খ. হিলিয়াম গ. নিয়ন ঘ. অক্সিজেন
২. নিচের কোন উক্তিটি সঠিক? ক. বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ খ. বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ গ. বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ঘ. বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকেই বোঝায়
৩. শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে। কারণ-
ক. সরকারি নির্দেশ খ. দূর থেকে চোখে পড়বে বলে গ. তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য ঘ. দেখতে সুন্দর লাগে
৪. রান্না করার হাঁড়ি-পাতিল সাধারণত অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হয়। এর প্রধান কারণ-
ক. এটি হালকা ও দামে সস্তা খ. এটি সব দেশেই পাওয়া যায় গ. এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয় ঘ. এটি সহজে ভেঙে যায় না এবং বেশি গরম সহ্য করতে পারে
৫. ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে-
ক. বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে খ. সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে গ. লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
ঘ. সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে নেয়া হয়েছে
৬. পাহাড়ে ওঠায় বা সিঁড়ি ভাঙায় পরিশ্রম বেশি হয়। কারণ- ক. পাহাড়ি ভূমি ও সিঁড়ি শক্ত বলে
খ. অভিকর্ষ বলের বিপরীতে কাজ করতে হয় বলে গ. আনুভূমিক সরণ কম হওয়ায় ঘ. উপরোল্লিখিত কারণগুলোর কোনটাই সত্য নয়
৭. ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেল কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে?
ক. ০ ডিগ্রি খ. ১০০ ডিগ্রি গ. ৩৯ ডিগ্রি ঘ. ৪০ ডিগ্রি
৮. নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়? ক. পেট্রোলিয়াম খ. বায়োগ্যাস গ. কয়লা ঘ. প্রাকৃতীক গ্যাস
৯. ক্যাসেটের ফিতায় শব্দ রক্ষিত থাকে কী হিসেবে?
ক. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে খ. মেমোরি চিপ হিসেবে গ. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে ঘ. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে
১০. সমুদ্রের তীরে একটা বিস্ফোরণ ঘটলে কে আগে শব্দ শুনতে পাবে?
ক. এক কিলোমিটার দূরে ভূমিতে অবস্থানকারী একজন ব্যক্তি খ. এক কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে অবস্থানকারী একজন ব্যক্তি গ. এক কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের পানির নিচে অবস্থানকারী একজন ব্যক্তি ঘ সবাই একসঙ্গে শব্দটা শুনতে পাবে
১১. রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো- ক. লেন্সের কাজ করে খ. আতশি কাচের কাজ করে গ. দর্পণের কাজ করে ঘ. প্রিজমের কাজ করে
১২. বায়ুম-লের ওজোন স্তর অবক্ষয়ে কোন গ্যাসটির ভূমিকা সর্বোচ্চ?
ক. কার্বন ডাইঅক্সাইড খ. জলীয় বাষ্প গ. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ঘ. নাইট্রিক অক্সাইড
১৩. সাবমেরিনের নাবিকেরা পানির নিচ থেকে উপরের দৃশ্য দেখে
ক. টেলিস্কোপের সাহায্যে খ. মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে গ. পেরিস্কোপের সাহায্যে ঘ. স্যাটেলাইটের মাধ্যমে
১৪. রেডিও আইসোটোপ হচ্ছে এমন একটা আইসোটোপ যাথ
ক. রেডিওতে ব্যবহৃত হয় খ. রেডিও তরঙ্গ তৈরি করে গ. তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রদর্শন করে ঘ. আলো তৈরি করে
১৫. তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
ক. লাউড স্পিকার খ. এমপিফায়ার গ. জেনারেটর ঘ. মাইক্রোফোন
উত্তর : ১. ক ২. গ ৩. গ ৪. গ ৫. খ ৬. খ ৭. ঘ ৮. খ ৯. গ ১০. গ ১১. ঘ ১২. গ ১৩. গ ১৪. গ ১৫

Advertisements

About মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট প্রত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করি এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষামার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

Posted on 12/02/2012, in লেখাপড়া / শিক্ষা and tagged , . Bookmark the permalink. এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান.

পোষ্টটি আপনার কেমন লেগেছে? মন্তব্য করে জানান।

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: